সুনামগঞ্জে নাব্যতা সংকট নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

সুনামগঞ্জে নদীর নাব্যতা সংকটের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য হুমকিতে পড়েছে। কারণ নাব্যতা সংকটে নৌ-যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 
প্রতিবছর কোটি কোটি ঘনফুট বালু, নুড়ি, বোল্ডার ও ভাঙা পাথরসহ বিভিন্ন মালামাল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো ও  অন্যান্য মালামাল আমদানি করা হয়। কিন্তু নদীগুলোর নাব্যতা সংকটে অক্টোবর মাস থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়ে। এ নদীকে কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষভাবে ৬০ হাজারের বেশি শ্রমিক জড়িত রয়েছে। নাব্যতা সংকটে বিভিন্ন পয়েন্টে চাঁদাবাজি করছে সংঘবদ্ধ চক্র। নাব্যতার কারণে যেখানে ৩০মিনিটে পথ পাড়ি দেওয়া যেতো সেখানে ১৪-১৫দিন সময় লেগে যায়। সুরমা, রক্তি, যাদুকাটা, পাটলাই ও  বৌলাই নদীর শুকিয়ে যাওয়া অংশ খনন না করায় ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আর বিপন্ন হতে চলেছে নদী পাড়ের লোকজনের জীবন ও জীবিকা।
 
জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে কয়েকটি ছাড়া বাকিগুলোর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাইরের জেলা ও উপজেলার মালামাল পরিবহনে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই, বর্ষা ও হেমন্তে নৌ-পথই ভরসা।  হেমন্তকালে প্রয়োজনের তাগিদে লোকজন পায়ে হেঁটে কিংবা মোটরসাইকেলে চলাচল করলেও মালামাল পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম নদীপথ। সে জন্যই জেলার সকল হাট-বাজার নদী তীরবর্তী স্থানে অবস্থিত। কিন্তু বর্তমানে জেলার কয়েকটি নদীর নাব্যতা হারানোর ফলে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে জেলাবাসীর জীবনযাত্রায়।
 
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন জানান, নাব্যতা সংকট দূর করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। সংকট দূর করার জন্য নৌ-মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো।

ইত্তেফাক/এএন