মোরেলগঞ্জ-সন্ন্যাসী-শরণখোলা উপজেলার সংযোগ সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ১কি.মিটারের পথ ৩০ কি.মি ঘুরে যেতে হচ্ছে। পানগুছি নদীর তীরবর্তী খাউলিয়া এলাকার এ রাস্তা বিলীন হওয়ায় লোকজনকে নৌকা আর ট্রলারে পার হতে হয়। যান্ত্রিক বাহনে ৩০কি.মি পথ ঘুরতে জনসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
পানগুছি নদীর করাল গ্রাসে তীরের প্রায় এক কি.মি রাস্তা ভেঙেছে কয়েক বছর আগেই। এরপর থেকে একটি বিকল্প রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করতো। কিন্তু তাও কিছুদিন আগে পানগুছির আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়েছে। বিলীন হয়েছে আশপাশের বেশ কয়েকটি বসতঘর। ফলে মোরেলগঞ্জের সঙ্গে উপজেলার সন্ন্যাসী, খাউলিয়া, বানিয়াখালী ও শরণখোলা উপজেলার সঙ্গে এ পথের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ কারণেই এই ১কি.মি সড়কপথ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই উপজেলার ২লক্ষাধিক মানুষ।
ইউএনও মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান জানান, পানগুছির আকস্মিক ভাঙনে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার একটি অংশ পুরোপুরি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। জনগুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বিকল্প আরেকটি রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচলের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত এ পথটি চলাচল উপযোগী করার চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভাঙন রোধে স্থায়ী একটি বেড়ি বাঁধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার জানান, পানগুছি নদীর ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি পাস হলে ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ইত্তেফাক/এএন