উপজেলার দিঘিড় পাড় গ্রামে ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কমিউনিটি ক্লিনিকটি প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও যাতায়াতের সড়ক নির্মিত হয়নি। পানি, টয়লেট, দরজা-জানালা ভেঙে যাওয়া, নোংরা পরিবেশ, ফ্লোর ডেবে যাওয়া, প্রয়োজনীয় ওষুধ না পাওয়া, জনবল সঙ্কটসহ নানান সমস্যায় জর্জরিত কেন্দ্রটি। এতে ব্যাহত হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাজার হাজার লোকের স্বাস্থ্যসেবা।
জানা যায়, ২০১২ সালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের আওতায় তিনতলা বিশিষ্ট এ ক্লিনিকটি নির্মিত হয়। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে দুইজন দিয়ে এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বিভিন্ন সময়ে কিছু জনবল নিয়োগ করা হলেও বেহাল অবস্থার কারণে তারা অন্য স্থানে চলে গেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার দিঘিড় পাড় নামক স্থানে বাঙ্গরা বাজার-বিষ্ণুপুর বাজার সড়কটির পাশে প্রায় ২০ গজ দূরত্বে বিলের মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু ক্লিনিকে যাতায়াতের জন্য কোনো রাস্তা নেই। নেই জানালার গ্লাস, শৌচাগার ব্যবহারের অনুপযোগী ও নলকূপ অকেজো। এসব সমস্যার কারণে রোগীদের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আবার চাহিদার তুলনায় নেই পর্যাপ্ত ওষুধ।
স্থানীয় একজন রোগী জানান, বর্তমান শুষ্ক মৌসুমে ক্লিনিকে যাতায়াতে তেমন অসুবিধা নেই। কিন্তু বর্ষাকালে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়। রোগীদের যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণ জরুরি।
বাঙ্গরা পশ্চিম ইউপির স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিত্সক (সেকমু) ডা. নিতাই মজুমদার জানান, কেন্দ্রটির প্রধান সমস্যা সড়ক না থাকা। বর্ষাকালে ক্লিনিকে আসতে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। সড়কটি নির্মাণ হলে স্থানীয়দের সারা বছর সেবা পাবে।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের গত ১৯ বছরে সড়ক নির্মাণ না হওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক বলে জনান, ক্লিনিকে রোগীদের যাতায়াতের জন্য জরুরিভিত্তিতে সড়কের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এএন