সিলেটে বিশ্ব ইজতেমায় ১২ লাখ মুসল্লির সমাগমের আশা

গাজীপুরের টঙ্গি বিশ্ব ইজতেমার আদলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাও ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন মাঠে ২৯-৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ ইজতেমায় দেশ বিদেশের ১২ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
 
এরই মধ্যে লাখো মুসল্লি বিছানাপত্র নিয়ে পৌঁছে গেছেন ইজতেমা স্থলে। মূলত: ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে অনেকেই চলে এসেছেন এখানে। তারা মহান আল্লাহর এবাদতের ফাঁকে ফাঁকে প্যান্ডেল তৈরি সহ যাবতীয় প্রস্তুতিতে শরিক হন। আশপাশের লোকজন স্বেচ্ছায় বাঁশ, চাটাই সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেন এবং কায়িক পরিশ্রমও দেন। জমায়েত স্থলে লাখো মুসল্লিরা এখন এবাদতে মশগুল।
 
তাবলীগ জামাতের সিনিয়র মুরুব্বি সৈয়দ ইব্রাহিম জানান, ৩৬ বছর পর সিলেট ইজতেমা হচ্ছে। শেষবার ৮৪ সালে পলিটেকনিক মাঠে জেলা পর্যায়ে একটি ইজতেমা হয়েছিল। এবার ৩৬ বছর পর সিলেটের ইজতেমা সফল করতে সবাই এগিয়ে এসেছেন।
 
সরেজমিনে ইজতেমার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ২০০ একর জমি জুড়ে সিলেটে এই ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। প্যান্ডেল দিয়ে সাজানো হচ্ছে বিশাল মাঠ। এরই মধ্যে মুসল্লিরা এসে গেছেন। তারা শীত উপেক্ষা করে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত সহ আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি আদায়ে খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। এদিকে মাঠের দক্ষিণ পাশে ৫ থেকে ৬ হাজার  মুসল্লি যাতে একসঙ্গে ওজু করতে পারেন, সেজন্য বিশাল ওজুখানা, তাছাড়াও আরো ৩৫ থেকে ৪০টি ছোট ওজুখানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠে একপাশে অন্তত ২ হাজার শৌচাগার, ৫টি গভীর নলকূপ সহ আরো ৫টি নলকূপ বসানো হয়েছে।
 
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো.জয়নাল আবেদীন বলেন, 'ইজতেমার জন্য আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি। নলকূপ বসানো, বিদ্যুতের ব্যবস্থা, রাস্তা করা এবং রাস্তার উন্নয়নসহ প্রায় অধিকাংশ কাজে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করছে।'
 
ইত্তেফাক/এসএস