রামগড়ে আদিবাসী গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে জখম

খাগড়াছড়ির রামগড়ের সোনাইআগা নামক পাহাড়ি পল্লীতে এক আদিবাসী গৃহবধুকে ধর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। আজ বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধূ উচাইন্দা মগিনী (২৭)কে রামগড় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


জানা যায়, সোনাইআগা গ্রামের বাসিন্দা চাইলাপ্রু মারমার স্ত্রী উচাইন্দা মগিনী বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ঘর থেকে বের হয়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য। এ সময় দুজন মুখোশ পরা ব্যক্তি আকস্মিকভাবে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এদের একজন গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে এবং অন্যজন ধর্ষণের চেষ্টা করে। 
 
এ সময় মগিনী নিজেকে বাঁচাতে মুখোশধারী এক দুর্বৃত্তর হাতের আংগুলে কামড়ে দেন। এতে অন্যজন ধারালো দা দিয়ে মগিনীর বাম হাতে কোপ দেয়। এ সময় তার চিৎকার শুনে ঘর থেকে স্বামী বেরিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
 
আহত অবস্থায়  গৃহবধুকে  রাত ৮ টার দিকে রামগড় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, দা’র কোপে তার বাম হাতের রগ কেটে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত গৃহবধু রামগড় হাসপাতালে চিকিৎসাকালে বলেন, মুখোশ পরা ছিল বিধায় তিনি দুর্বৃত্তদের চিনতে পারেন নি। তবে তিনি একজনের হাতের আংগুল কামড়িয়ে জখম করেছেন।
 
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রামগড় থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে আহত গৃহবধূ ও তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলেন।
 
রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাইনউদ্দিন খান জানান, আহত গৃহবধুর অভিভাবককে থানায় মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা পুলিশকে বলেছেন, দুর্বৃত্তদের তারা চিনতে পারেন নি। কার বিরুদ্ধে মামলা দেবেন। চিকিৎসার পর খোঁজখবর পেলে মামলা দেবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
 
ইত্তেফাক/এএন