খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য পদে ১৮ জন নির্বাচিত

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ১৮ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪ জন সাধারণ (পুরুষ) ওয়ার্ডের এবং চারজন সংরক্ষিত (নারী) আসনের। তবে একটি উপজেলায় ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকায় সংরক্ষিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফলাফল নির্ধারণ হয়নি।
 
নির্বাচিতদের মধ্যে ১ নম্বর সাধারণ (পুরুষ) ওয়ার্ডে (দাকোপ) একেএম কবির হোসেন খান (তালা) ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ২ নম্বর ওয়ার্ডে (বাজুয়া)  রজত কান্তি শীল (তালা) ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে (কয়রা) জহুরুল হক বাচ্চু (টিউবওয়েল) ২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (বটিয়াঘাটা) দিলীপ হালদার (তালা) ২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (বটিয়াঘাটা) অভিজিৎ চন্দ (তালা) ৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত  হয়েছেন। ৬ নম্বও ওয়ার্ডে (ডুমুরিয়া) শেখ মোশাররফ হোসেন বাবু (তালা) ৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে (ডুমুরিয়া) সরদার আবু সালেহ (হাতি) ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে (ফুলতলা) মো. সাজ্জাদুর রহমান লিংকন (হাতি) ২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
 
৯ নম্বর ওয়ার্ডে (দিঘলিয়া) শেখ মারুফুল ইসলাম (হাতি) ২২ এবং মোল্লা আকরাম হোসেন (তালা) ২২ ভোট পান। পরবর্তীতে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে মোল্লা আকরাম হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ১০ নম্বর ওয়ার্ডে (পাইকগাছা) হাবিবুল্লাহ বাহার (তালা চাবি) ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে (পাইকগাছা) শেখ কামরুল হাসান টিপু (হাতি) ৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে (পাইকগাছা) আব্দুল মান্নান গাজী (বৈদ্যুতিক পাখা) ৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে (তেরখাদা) এস এম খালেদীন রশিদী সুকর্ণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের (রূপসা) ভোট গ্রহণ স্থগিত রয়েছে। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে খুলনা জিলা স্কুল কেন্দ্রে চৌধূরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ (ঘুড়ি) ২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
 
অপরদিকে, সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিতরা হলেন- ১ নম্বর ওয়ার্ডে ১২৫ ভোট পেয়ে জয়ন্তী রানী সরদার (হরিণ), ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৯১ ভোট পেয়ে শোভা রানী হালদার (ফুটবল), ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১১৬ ভোট পেয়ে ফারহানা নাজনীন (টেবিল ঘড়ি) এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৯৩ ভোট পেয়ে নাহার আক্তার (ফুটবল)। তবে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৭ ভোট পেয়ে জেসমিন পারভীন জলি (হরিণ) এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হালিমা ইসলাম (টেবিল ঘড়ি) পেয়েছেন ৫০ ভোট। এ আসনের মধ্যে রূপসা উপজেলার ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকায় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ