নবাবগঞ্জের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় ইছামতি নদী দখল করে ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় বিত্তশালী গোপাল বর্মণের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ছোট গোবিন্দপুর গ্রামের নতুন শশ্মানঘাট সংলগ্ন ইছামতি নদীর তীর দখল করছেন ওই এলাকার গোপাল বর্মণ। গত এক সপ্তাহ যাবত্ ওই স্থানে ১০-১২ জন শ্রমিক বাঁশের খুঁটি দিয়ে বাঁধ দিয়েছে। তাতে নদীর তীর ও রাস্তা পার্শ্ববর্তী স্থানের মাটি দিয়ে বেস্টনী তৈরি করেছে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও তিনি তা কর্ণপাত করছেন না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের এক স্কুল শিক্ষক অভিযোগ করেন, আমরা ওই নদী পাড়ের জায়গাটিকে গোসলের ঘাট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলাম। কিন্তু গোপাল বর্মণ অবৈধভাবে জবরদখল করছে। যা দেখার কেউ নেই। ঘাটটি দখল হয়ে যাওয়ায় আশ-পাশের লোকজনের দৈনন্দিন কাজের সমস্যা হচ্ছে।
এদিকে গোপাল বর্মণ নদী দখলের কথা অস্বীকার করে বলেন, এটি আমার কেনা সম্পত্তি। প্রশাসনের কোনো অনুমতি আছে কি-না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সম্পত্তিতে আমি কাজ করবো প্রশাসনের কি?
ইছামতি নদী বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিউর রহমান তোঁতা বলেন, ইছামতি নদীর নাব্যতা ফেরাতে সরকারিভাবে ড্রেজিং চলছে। দখলের অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়। এর সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত।
নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনাজ মিথুন মুন্নী বলেন, এ বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এএন