রায়পুরে ২৫টি বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

উপজেলায় ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছেন। ওইসব ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় অনেকটা আতঙ্কের মধ্যে দিয়েই পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলোর ছাদ, ভিম ও দেওয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তরা। বেরিয়ে গেছে ছাদ ও ভিমের রড। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ থেকে চুঁইয়ে চুঁইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। এতে করে ব্যবহূত হয় শিক্ষা কার্যক্রম। দিনে দিনে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে এসব বিদ্যালয় ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানো হলেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানান, তাদেরকে মনে ভয় নিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতে হয়। এ জন্য আতঙ্কে পাঠদানে মনোযোগী হতে পারছে না তারা।

 
শিক্ষকরা জানান, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ এসব স্কুল ভবনে চালানো হচ্ছে পাঠদান। এতে করে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহতসহ সবসময় এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। জরাজীর্ণ স্কুল ভবনগুলোর কথা স্বীকার করে রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা ফেরদৌসী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ এলে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কার কাজ করা হবে।

ইত্তেফাক/এএন