টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ১৬ বছর পর আগামী মাসে প্রথম বারের মতো ভারতে টেস্ট খেলতে যাওয়ার কথা বাংলাদেশ দলের। কিন্তু গতকাল হঠাত্ করেই সেই টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তহবিলের অভাবে বাংলাদেশের এই একমাত্র টেস্টটি আয়োজন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে হায়দারাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এইচসিএ)। তবে এইচসিএ সভাপতি কে জন মনোজ বলেছেন, টেস্ট আয়োজনে তাদের আপত্তি নেই। কিন্তু তহবিল চেয়ে তারা যে চিঠি দিয়েছেন ভারতীয় বোর্ডকে, সেই তহবিল না পেলে তারা নিরুপায়।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এবং দেশটির স্বীকৃত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলো এক ধরনের বিপর্যয়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় ইতোমধ্যে বরখাস্ত হয়েছেন বিসিসিআই সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর ও সাধারণ সম্পাদক অজয় শিরকে। এ ছাড়া বোর্ড ও সকল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিটি ব্যয় করতে হচ্ছে উচ্চ আদালতের নজরদারির মধ্যে। আদালতের অনুমতি ছাড়া বোর্ড কোনো তহবিল ছাড় করতে পারছে না। আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের জন্য অ্যাসোসিয়েশন অপেক্ষা করে বিসিসিআইয়ের তহবিলের জন্য।
এই অবস্থায় এইচসিএ তহবিল চেয়ে বিসিসিআইকে চিঠি লিখেছে। যে তহবিল না পেলে তাদের পক্ষে ম্যাচ আয়োজন করা হবে না, এমন কথাও বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য হিন্দু। পত্রিকাটি একইসাথে জানিয়েছে, তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন একই যুক্তিতে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দুটি টেস্ট আয়োজনে অপারগতা জানিয়েছে।
দ্য হিন্দুর বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র বলেছে, আদালতের বর্তমান অবস্থানের কারণে এখন কোনো অ্যাসোসিয়েশনই বিসিসিআইয়ের কোনো ইভেন্ট আয়োজন করার সম্ভাবনা খুব কম।
তবে অন্য একটি সংবাদ মাধ্যমে এইচসিএ সভাপতি কে জন মনোজ দাবি করেছেন, তারা টেস্ট আয়োজন করতে কোনো আপত্তি জানাননি, ‘রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এই টেস্ট আয়োজন থেকে আমরা পিছিয়ে আসতে পারি না। আমি কয়েক দিন আগে বিসিসিআইকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ীই তহবিল চেয়ে চিঠি দিয়েছি। খেলা না হওয়ার কারণ নেই। বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা আগামী সপ্তাহেই পিচ পরিদর্শনে ও কিউরেটরের সাথে কথা বলতে আসবেন।’