জিয়ানগ‌রের নাম প‌রিবর্তন করায় আনন্দ মি‌ছিল-মি‌ষ্টি বিতরণ‌

পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার নাম পরিবর্তন ক‌রে ইন্দুরকানী করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আনন্দ মি‌ছিল ও মি‌‌ষ্টি বিতরণ করে‌ছে উপ‌জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অংগ সংগঠন। তারা মি‌ছি‌লের মাধ্য‌মে প্রধানমন্ত্রী‌ শেখ হা‌সিনা‌কে অ‌ভিনন্দন জা‌নি‌য়ে‌ছেন।
 
জিয়ানগ‌র‌কে ইন্দুরকানী নামকরণ করায় আজ মঙ্গলবার বিকা‌লে উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের আ‌য়োজ‌নে বর্ণাঢ্য আনন্দ মি‌ছিল বের করা হয়। উপ‌জেলা সদ‌রের প্রাণ কেন্দ্র ইন্দুরকানী বাজার থে‌কে মি‌ছিল‌টি বের হ‌য়ে প্রধান সড়কগু‌লো প্রদ‌ক্ষিণ করে। প‌রে আওয়ামী লীগ কার্যাল‌য়ের সাম‌নে এক পথসভায় বক্তব্য রা‌খেন উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সভাপতি এম, ম‌তিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ম‌নিরুজ্জামান মৃধা। 
 
এ সময় বক্তারা ব‌লেন, আমরা দীর্ঘ‌দিন ধ‌রে মানববন্ধন, স্মারক‌লি‌পি প্রদানসহ বি‌ভিন্ন কর্মসূচির মাধ্য‌মে সরকা‌রের কা‌ছে উপ‌জেলার নাম প‌রিবর্ত‌নের দাবি জা‌নি‌য়ে আস‌ছি। বগুড়ার লা‌শের ভাড় ইন্দুরকানীবাসী বহন কর‌তে চায় না। প্রধানমন্ত্রী এই এলাকার মানু‌ষের প্রা‌ণের দাবি পূরণ ক‌রে‌ছেন। তার প্র‌তি আমরা চরম ভা‌বে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ক‌রে অ‌ভিনন্দন জানা‌চ্ছি।
 
সভা শে‌ষে সক‌লের মা‌ঝে মি‌ষ্টি বিতরণ করা হয়।উপ‌জেলার নাম পর‌বির্তন করায় বি‌ভিন্ন মহল স‌ন্তোষ প্রকাশ ক‌রে‌ছেন।
 
উপ‌জেলার পাড়েরহা‌টের মু‌ক্তি‌যোদ্ধা মোকাররম হো‌সেন ক‌বির ব‌লেন, অ‌নেক আ‌গেই  নাম‌টি প‌রিবর্তন করা দরকার ছিল। স্থানীয় না‌মে নামকরণ করায় প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন্যবাদ।
 
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (নিকার) বৈঠকে ‌জিয়ানগ‌র উপ‌জেলার নাম প‌রিবর্ত‌নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
 
জানা যায়, ১৯৭৬ সালে পিরোজপুর সদর উপজেলার পাড়েরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় ইন্দুরকানী থানা। পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল সা‌বেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামানুসারে ইন্দুরকানী থানাকে জিয়ানগর উপজেলা হিসা‌বে ঘোষণা ক‌রেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া।
 
ইত্তেফাক/এমআই