টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণে রিট খারিজের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তমের করা আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে বুধবার এই আপিলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে কাদের সিদ্দিকীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, আপিলকারীর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ তত্কালীন সময়ে পুনঃতফসিলকরণ করা হয়েছে। অশ্রেণিকরণ করাও হয়েছে ব্যাংক কর্তৃক। যা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিয়েছে। পরবর্তীকালে অগ্রনী ব্যাংক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের পরদিন অসত্ উদ্দেশে অশ্রেণিকরন বিষয়ে ভুল হয়েছে মর্মে পত্র প্রদান করে। তিনি বলেন, যেহেতু সংশ্লিষ্ট ঋণ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনঃতফসিল করা হয়েছে সেক্ষেত্রে কাদের সিদ্দিকীকে ঋণ খেলাপি হিসাবে গণ্য করা যাবে না। দশ বছর মেয়াদে শতকরা ১০ ভাগ সুদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেয়া হয়েছে কাদের সিদ্দিকীকে। আবার সেই ঋণ পুন:তফসিল করন করা হয়েছে। এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেওয়ার পর ওই ধরনের পরিস্থিতিতে আপিলকারীর সামনে অন্য কোন প্রতিকার না থাকায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। এসময় শুনানিতে তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ইয়াসিন খান, অগ্রনী ব্যাংকের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র গ্রহনের নির্দেশনা চেয়ে কাদের সিদ্দিকীর রিট আবেদন গত ৪ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। গত ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে উপ-নির্বাচন স্থগিত করে দেয়।
ইত্তেফাক/এএম।