দুর্নীতি দমন এবং সরকারি দফতরগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের গণশুনানি কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, 'সরকারি কার্যালয়গুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন পন্থা হিসেবে গণশুনানির ব্যবস্থা করা হয়।' দুর্নীতি প্রতিরোধে নতুন এই কৌশলের কার্যকারিতা বিবেচনায় নিয়ে চলতি বছরে মাসে কমপক্ষে ৩টি শুনানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
কিছু নীতি জ্ঞানহীন কর্মকর্তার অবহেলা ও দুর্নীতি জনগণকে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত করছে। এসব কর্মকর্তা আগামীতে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন না করলে কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।
দুর্নীতি দমন কমিশন ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে গণশুনানির ব্যবস্থা করে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ শুনানিতে যোগ দেয়ায় এ ব্যাপার দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর এক হাতিয়ারে পরিণত হয়।
দুর্নীতি প্রতিরোধে বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানির স্থানগুলো হচ্ছে- পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট, ভোলার চরফ্যাশন ও নড়াইল, সুনামগঞ্জের দিরাই, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, কুষ্টিয়া, কুমিল্লার লাকসাম, মাদারীপুরের রাজৈর, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, ঢাকার সাভার, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, নোয়াখালীর সুবর্ণচর, শেরপুরের নলিতাবাড়ি ও নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা। -বাসস।
ইত্তেফাক/এসএস