স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম দেশের সার্বিক চিকিত্সা ব্যবস্থাসহ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও চিকিত্সা গবেষণার মান বাড়াতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো তত্পর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের অর্জনকে আরো ঊর্দ্ধে নিতে হলে চিকিত্সা গবেষণা খাতের প্রতি আরো মনোযোগ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই খাতে গবেষণার উপর বারবার গুরুত্বারোপ করছেন। চিকিত্সকদের পেশাগত উত্কর্ষতা বাড়াতে চিকিত্সা শিক্ষার মানোন্নয়নেও এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে গেলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের এই মেয়াদে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে। চিকিত্সা খাতে দেশের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যও অনেক দেশের কাছে উদাহরণ। বিএসএমএমইউকে ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হিসেবে ইতিমধ্যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে বিএসএমএমইউ’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার, অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. জাকারিয়া স্বপন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আলী আসগর মোড়ল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. আব্দুল হান্নান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদল জানান, উচ্চশিক্ষার সাথে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এমন হাসপাতালগুলোর মধ্যে বিশ্বসেরার তালিকায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) স্থান পেয়েছে। স্পেনের সিমাগো রিসার্চ গ্রুপ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কপাস পরিচালিত জরিপে এই নাম উঠে এসেছে। এমনকি ভারতের অনেক হাসপাতালও বিএসএমএমইউর পেছনে রয়েছে বলে জরিপের ফলাফলে জানা যায়। চিকিত্সা গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এশিয়ার মধ্যে পঞ্চম স্থানে উন্নীত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশকেই গৌরবান্বিত করেছে বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য।
ইত্তেফাক/এএন