নদী ভাঙন রোধে ব্যক্তি উদ্যোগে বেড়িবাঁধ নির্মাণ হচ্ছে

ঝালকাঠির রাজাপুরের বিষখালি নদীর ভাঙন কবলিত পালট গ্রামে ব্যক্তি উদ্যোগে দীর্ঘ এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করছে।

 
অধিক ভাঙন ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণ পালট প্রাথমিক স্কুল এলাকায় স্থায়ী পাইলিং নির্মাণ করা হচ্ছে। দক্ষিণ পালট প্রাথমিক স্কুল এলাকা থেকে পালট গ্রামের কাটাখালি খালের ব্রিজ হয়ে ওই গ্রামের সফিজউদ্দিন চাপরাশির বাড়ি হয়ে কুলাইগাছিয়া খাল এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ এক কিলোমিটার বেড়িবাধ নির্মাণ শুরু করা হয়েছে। শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, দক্ষিণ পালট সরকারি প্রাথমিক স্কুলসংলগ্ন বিষখালি নদীর অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বেড়িবাঁধ রক্ষার জন্য রড ও সিমেন্টের স্থায়ী পাইলিং নির্মাণ করা হচ্ছে।
 
৫ জানুয়ারি  থেকে এ কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নদীর তীরের মাটি খুঁড়ে পিলার নির্মাণের নিচের অংশের কাজ শেষ করা হয়েছে। ওই এলাকার বিষখালি নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ পালট গ্রামের খোকন হোসেন, খলিল হোসেন ও কাঞ্চন হোসেন জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিষখালি নদীর ভাঙনে ওই এলাকার অনেকেরই ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অনেকে এলাকা ছেড়ে চলেও গেছে। দীর্ঘদিন ধরেই অনেকের কাছেই ভাঙনরোধ বা বেড়িবােঁধর জন্য আকুতি করেছি। কিন্তু কেউই একটু নজর দেয়নি। বর্তমানে স্থানীয় মেম্বর শাহাদাত্ হোসেন কাজল মোল্লা নিজ খরচে বিষখালির অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বেড়িবাঁধ রক্ষার  নির্মাণ কাজ করছেন।’
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহাদাত্ হোসেন কাজল মোল্লা জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরেই পালট গ্রামের বিষখালি নদী ভাঙনে বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমিসহ সম্পদ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বেড়িবাঁধ না থাকায় বন্যার সময় নদীর পানি প্রবেশ করে ফসল, ধান ও সম্পদের ক্ষতি হয় এবং নদীতীরের মানুষ পানিবন্দী হয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। তাই এলাকার মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করে নিজ উদ্যোগেই বেড়িবাঁধ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পাইলিং নির্মাণ করছি।’

ইত্তেফাক/এএন