বিএনপি বলেছে, বাংলাদেশে বিরোধী দলের ওপর যে নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে, তা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বারবার তুলে ধরলেও সরকার তাদের জুলুম-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে। মানবাধিকারকর্মীরা যত সত্য চিত্র তুলে ধরুন না কেন, তাতে জনবিচ্ছিন্ন সরকারের কিছুই যায়-আসে না। সরকারের অনাচার-অবিচারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেকসহ বাংলাদেশের জনগণ সোচ্চার হতে শুরু করেছে। নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণ শিগগিরই তুমুল গণ-আন্দোলন শুরু করবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে প্রকৃত অবস্থা আরও ভয়ংকর।
রবিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।
রিজভী সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন। এসময় তিনি নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার প্রশংসা করে কিছুটা সংশয়ও প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শুধু আওয়ামী লীগের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন নির্বাচন কমিশন গঠন করলে তা একতরফা কমিশন হবে। জনগণের কাছে প্রতারণামূলক হবে। ওই কমিশনকে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে।
রিজভী বলেন, বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়ার জন্যই মূলত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, রাস্তায় কোনো কর্মসূচি করা যাবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে রাস্তায় আর কোনো প্রোগ্রাম করা যাবে না। তিনি এই নির্দেশনা দেন যে রাস্তা বন্ধ করে কোনো সভা, সমাবেশ বা কোনো কর্মসূচি বাংলাদেশের কোথাও করা যাবে না। মূলত বিএনপির সভা-সমাবেশ বানচাল করার জন্যই এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।