ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ মঙ্গলবার বলেছেন, আগামী সপ্তাহে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠেয় সিরীয় শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করছে তার সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের উপস্থিতির বিরুদ্ধে বৈরী ধারণা পোষণ করছি এবং তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাইনি।’ সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ খবর জানিয়েছে। ইরানের এই অবস্থান আলোচনার অপর দুই অংশীদার রাশিয়া ও তুরস্কের বিরুদ্ধে গেছে। দেশ দুটি জানায়, সোমবার কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় অনুষ্ঠেয় আলোচনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনের অংশ নেয়া উচিত।
২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মত এ ধরণের বৈঠক হচ্ছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মূল ভূমিকায় নেই। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম ঘাসেমি বলেন, ‘এ পর্যায়ে আমাদের ত্রিপক্ষীয় অবস্থান ধরে রাখতে হবে। অংশীদারের সংখ্যা বাড়লে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ পর্যায়ে অন্য কোন দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা আমাদের নীতির মধ্যে নেই।’
ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে বর্তমানে আলোচনা চলছে। আগামী সপ্তাহের বৈঠকেও তিনটি দেশ অংশ নেবে। এ প্রসঙ্গে ঘাসেমি বলেন, প্রথম পদক্ষেপের সাফল্যের পর আলোচনার শেষ পর্যায়ে অন্যান্য দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তিনি বলেন, তাছাড়া বৈঠকটি মন্ত্রী পর্যায়েরও নয়। এখানে কেবল উপ-মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।
ঘাসেমি ওয়াশিংটনের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে মস্কোর সঙ্গে বড় ধরণের মতপার্থক্যের কথাও নাকচ করে দেন। সিরীয় যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশারের প্রধান কূটনৈতিক ও সামরিক মদদদাতা হল ইরান ও রাশিয়া। এএফপি।
ইত্তেফাক/এসএসএ