বিরোধী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যৌথ সরকার গঠনে রাজি হয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ফাতাহ। রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে তিনদিনের আলোচনার পর মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় তারা। এরফলে একটি নতুন ন্যাশনাল কাউন্সিল গঠনের পথ সুগম হবে। ফিলিস্তিনের যেসব জনগণ বাইরে রয়েছে তারা এই ন্যাশনাল কাউন্সিলে অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া কাউন্সিলের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হবে। আগের চেয়ে পরিস্থিতি এখন অনেক ভাল। ফাতাহ’র একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আজ্জাম আল-আহমাদ একথা জানান। এ চুক্তিতে ইসলামিক জিহাদি গ্রুপকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২০০৬ সালে ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহ এবং হামাস নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়। এতে হামাসের জয় নিশ্চিত হলে পরবর্তীতে দুই পার্টি বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনের পরের বছর বেসামরিক যুদ্ধে গাজা দখল হলে দুইপক্ষে বিবাদ চরমে ওঠে। গতবছর ফিলিস্তিনি সরকার অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় এক দশকে প্রথমবারের মতো পৌর নির্বাচন স্থগিত করে দেয়। পশ্চিম তীর শুধুমাত্র ফাতাহ নিয়ন্ত্রণ করবে হাইকোর্টের এমন রুল জারির পর ঐ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছিল। এদিকে সোমবার ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে দেখা করেন।
ওদিকে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নিতে প্রচারণা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই ট্রাম্পকে তার জায়গা থেকে সরে আসার জন্য প্রচেষ্টা চালাতে লাভরভের প্রতি আহ্বান জানান তারা। তবে শান্তি আলোচনা বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা খালেদ এলগিন্দি বলেছেন, পূর্ববর্তী চুক্তি থেকে এ চুক্তি কতটা ভিন্ন সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি’তে নেতৃত্বের পরিবর্তন এই চুক্তির অতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।
ইত্তেফাক/এএন