বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। এক সময় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সিনেমা হলগুলোতে তিল ধারনের ঠাঁই থাকতো না। কিন্তু বর্তমানে ক্রমাগত লোকসানে বন্ধ হয়েছে সিনেমা হলগুলো।
এ উপজেলায় অনামিকা টকিজ, বলাকা টকিজ, মাগুড়া টকিজ, ও বাবু টকিজ নামে ৪টি সিনেমা হল সু প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠেছিল। নানামুখী বিনোদন ব্যবস্থার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে না পেরে দর্শকশূন্য হয়ে হলগুলো একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। সর্বশেষ উপজেলার কিশোরীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অনামিকা টকিজ ও কিশোরগঞ্জ ভিতর বাজারে বাবু টকিজ নামের হল দুটো বছর চারেক আগে বন্ধ হয়ে যায়।
বাহাগিলি ইউনিয়নের কেল্লাবাড়ি নামক স্থানের তারাগঞ্জ যাওয়ার রাস্তার পাশে অবস্থিত বলাকা টকিজ এর আসপাশের একাধিক দোকানি জানান, সময়টা বেশি দুরের নয় , দর্শকের ভিড়ে কানায় কানায় ভড়ে যেত সিনেমা হল। দর্শকের ভিড়ে পা ফেরা যেতনা। ভিড়ের মধ্যে একটি টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে দিত সিনেমা পাগল দর্শকেরা। কিন্তু বর্তমানে গ্রামেগঞ্জে সবার হাতে মোবাইলে থাকায় অনেকে হলবিমুখ হয়ে পড়ে। দর্শক না থাকায় হলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মুক্তা বেগম বলেন, এক সময় সাধারণ মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে সিনেমা হলে যেত ছবি দেখার জন্য। কিন্তু এখন অব্যবস্থাপনা এবং হলের ভেতরকার নেতিবাচক কর্মকাণ্ড দর্শক কমিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এখানকার হলগুলোতে বর্তমানে ভালো ছবি না চালানোতে দর্শকরা আর হলে আসেনা।
ইত্তেফাক/এএন