রায়পুরায় মজিবুর রহমান নামে এক ইউপি মেম্বারকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা । গত রবিবার রাতে রায়পুরা উপজেলার অলীপুরা ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দুর্বৃত্তরা মজিবুর রহমান মেম্বারকে কুপিয়ে হত্যা করে বাড়ির কাছে ফেলে রেখে যায়। তিনি রায়পুরা উপজেলার অলীপুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। হত্যার কারণ জানা যায়নি।
এলাকাবাসী, পরিবার ও বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরা উপজেলার তুলাতলী গ্রামের মরহুম সুলতান মিয়ার পুত্র মজিবুর রহমানের সঙ্গে তার আপন চাচাতো ভাই আক্তার মিয়ার নির্বাচন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব ছিল। পরপর দুইবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে আক্তার মিয়া, মজিবুরের কাছে পরাজিত হন। এ নিয়ে আক্তার মিয়া মজিবুরের ওপর খুব ক্ষিপ্ত হন। এর আগে ২ বার দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যাচেষ্টা করে।
কিছুদিন আগে মজিবুর মেম্বার রায়পুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিতে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া মজিবুর মেম্বার ছিলেন বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনির হত্যাকাণ্ডের রাজস্বাক্ষী। এ মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
সোমবার দুপুরে মজিবুর মেম্বারের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ তার আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেছে। একই দিন বাদ আছর মজিবুর মেম্বারের নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান উদ্দিন মোল্লা, রায়পুরা থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রহমান খোকনসহ বহুসংখ্যক স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক। এছাড়া সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ নিহত মজিবুর মেম্বারকে শেষবারের মতো দেখার জন্য তার বাড়িতে ভিড় জমায়। জানাজায় জনতার ঢল নামে।
ইত্তেফাক/এএন/ইউবি