হবিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা, প্রতিবাদ সভা

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা ও কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
 
মঙ্গলবার সকালে অভিভাবকদের আয়োজনে প্রতিবাদ সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।  সভায় ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার দাবি করেন বক্তারা। অন্যথায় আন্দোলন আরো বেগবান করার ঘোষণা দেন তারা।
 
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ আহমদুল হক এতে সভাপতিত্ব করেন। এতে ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মইনুল হক আরিফ, বিশিষ্ট মুরুব্বী হাজী আম্বর আলী, প্রধান শিক্ষক মো. সামসুল হক, শিক্ষক আব্দুল হালিম, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল কাইয়ূম, বাবর আলী ও অ্যাডভোকেট মোস্তফা মিয়া প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
 
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সামসুল হক জানান, তোফাজ্জল আলম নামে স্থানীয় এক যুবক ২০০৪ সালে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীতে পড়তো। এরপর আর পড়ালেখা করেনি। সে অষ্টম শ্রেণী পাশের সার্টিফিকেট নিতে রবিবার বিদ্যালয়ে যায়। এ সময় সার্টিফিকেটের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক হায়দার আলী ক্লাস শেষে দেয়ার কথা জানিয়ে সার্টিফিকেটের জন্য বিদ্যালয় নির্ধারিত পাঁচ শ টাকা ফি জমা দিতে বলেন। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজনকে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা চালায়। তখন প্রধান শিক্ষকের কক্ষের চেয়ার, টেবিল, গ্লাস ও জগ ভাঙচুর করে। ফাইলপত্র তছনছ করে ফেলে দেয়। এ সময় অন্যান্য শিক্ষক এগিয়ে গিয়ে তাকে রক্ষা করেন।
 
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন, নূর উদ্দিন, সুজন মিয়া, তোফাজ্জল আলম, কবির আহমেদ ও জাহাঙ্গীর আলম।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ