এমপি লিটন হত্যা: গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেল হাজতে প্রেরণ

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৫ দিনে সুন্দরগঞ্জ থানাসহ জেলার বিভিন্ন থানায় জামায়াত-শিবিরের এক শ ৯৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১২ জনকে রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।  
 
গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে তার নিজ বাসভবনে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশ, র‌্যাব ও পিবিআইসহ গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেফতারে মরিয়া হয়ে উঠে। এ পর্যন্ত তারা জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চার পুলিশ হত্যা মামলা ও বিভিন্ন নাশকতার মামলার সঙ্গে জড়িতদের এমপি লিটন হত্যায় জড়িত সন্দেহে এক শ ৯৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ১২ জনকে রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামান জানান।
 
সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো সাতজনকে গ্রেফতার করেন। এরা হলেন, উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামের নুরুল আমিন, সুন্দরগঞ্জ পৌর ৩ নং ওয়ার্ডের নুর আমিন, ছাপড়হাটী ইউনিয়নের খামার পাঁচগাছী গ্রামের হায়দার আলী, সোনারায় ইউনিয়ন পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের হারুন-অর-রশিদ, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের সতিরজান গ্রামের হাসেন আলী, বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম মনমথ গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন ও শান্তিরাম ইউনিয়নের মধ্য শান্তিরাম গ্রামের আমিনুল ইসলাম।
 
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা রয়েছে। এমপি লিটন হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ