ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় কেটে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে গজনী ফরেস্ট বিট এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলনের দৃশ্য দেখা গেছে।
বাকাকুড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমসহ এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় পাথর ব্যবসায়ীরা অবাধে পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলন করে আসছে। দীর্ঘদিন থেকে গারো পাহাড় কেটে অবাধে পাথর উত্তোলন করায় ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে গারো পাহাড়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ উপজেলার গারো পাহাড়।
এ সৌন্দর্যকে ঘিরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানে গড়ে তোলা হয় একটি পিকনিক স্পট। এ পিকনিক স্পট থেকে প্রতি বছর সরকারের ঘরে আসে বিপুল পরিমাণের রাজস্ব। অথচ অবৈধভাবে পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলনের ফলে গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে, সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব আয় থেকে। এ ব্যাপারে গজনী ফরেস্ট বিট কর্মকর্তা আব্দুর রফিকের সাথে কথা হলে পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলনের বিষয়টি তিনি অবগত নয় বলে জানান।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গোবীন্দ রায় ও রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে কথা হলে তারা অবৈধ পাথর ও বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান।
ইত্তেফাক/এসএস