স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কখনো ভোলা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আমাদের দেশের মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল ও আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কও অনেক গভীর। ভারতের সঙ্গে জাহাজ চলাচলে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক আরো সমৃদ্ধ ও দৃঢ় হবে। এতে আমরা একে অপরকে আরো কাছাকাছি দেখবো। দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এর মাধ্যমে দেশের সুন্দরবনসহ নানা পর্যটন স্পট দেখতে পারবে যাত্রাপথে। এ জাহাজে ভ্রমণের কারণে সড়ক পথে চাপ কমবে। বিগত দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও নৌ পথে নিয়মিত ভ্রমণ করতেন। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা প্রায়শই আমাদের সেই ভ্রমণের স্মৃতি মনে করিয়ে দেন।
শুক্রবার বিকালে ফতুল্লার পাগলা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনকর্তৃক পরিচালিত বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসমান রেস্টুরেন্ট মেরি অ্যান্ডারসনে আনুষ্ঠানিকভাবে এমবি মধুমতি জাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এসব কথা বলেন। রাত ৯টায় মেরি অ্যান্ডারসনের ভিআইপি ঘাট থেকে ৬১ জন পর্যটকসহ ১৩৭ জনের প্রথম বহর নিয়ে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা রওয়ানা দেয় এমবি মধুমতি। ৩১ মার্চ দুপুরে কলকাতা পৌঁছানোর আগে জাহাজটি বুড়িগঙ্গা হয়ে বরিশাল, বাগেরহাটের মোংলা, সুন্দরবন, খুলনার আন্টিহারা দিয়ে ভারতের হলদিয়ায় ঢুকবে। আর এ পুরো সময়টাতে পর্যটকরা দেখতে পারবেন গ্রাম বাংলার অপরূপ দৃশ্য। ১ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে এমভি মধুমতি। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রাব্বি মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, সদর ইউএনও নাহিদা বারিক।