৩৪ ঔষুধ কোম্পানির বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ৯ ফেব্রুয়ারি

৩৪টি ঔষুধ কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রিট আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করবে হাইকোর্ট। 
 
মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করে দেন। 
 
গত বছরের ৭ জুন হাইকোর্ট ২০টি ঔষুধ কোম্পানির লাইসেন্স কেন স্থায়ীভাবে বাতিল এবং ১৪টি কোম্পানির সব ধরনের এন্টিবায়েটিক উৎপাদন বন্ধের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংলাদেশের পক্ষে করা এক আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত এ রুল জারি করে। 
 
রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং কোম্পানিগুলোর পক্ষে আইনজীবী মওদুদ আহমদ, হাবিবুল ইসলাম ভূইয়া, এজে মোহাম্মদ আলী, তানজীব-উল আলম, একেএম বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ শুনানি করেন। আট কার্যদিবস ধরে এই রুলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
 
প্রসঙ্গত গত ২১ এপ্রিল ‘জীবন রক্ষাকারী ঔষুধে ভেজাল’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে ওই ২০টি ঔষুধ কোম্পানির ঔষুধে ভেজাল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এসব ঔষুধ কোম্পানির ঔষুধ উৎপাদন ও লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি সরকার। এ পরিস্থিতিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ‘হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংলাদেশের’ পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। 
 
ইত্তেফাক/এমআই