২৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

 
রাজধানীর দারুস সালাম থানার নাশকতার ৯টি ও রাষ্ট্রেদ্রোহের একটিসহ মোট ১০টি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
বুধবার ১০ মামলায় খালেদা জিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে হাজির না হওয়ায় তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সময় আবেদন দাখিল করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন।
 
এর আগে ৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও নাশকতার ৯টিসহ মোট ১০টি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।
 
রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদারের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই মামলায় গত বছরের ৫ এপ্রিল খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন।
 
আরজিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লক্ষ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’
 
ওই দিন খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’
 
এদিকে যাত্রাবাড়ী থানার মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী।
 
এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান।
 
অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দারুসসালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।
 
ইত্তেফাক/কেকে