রাজশাহীর বাগমারায় শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ হত্যা মামলার বাদি নিহতের পিতা এরশাদ আলীকে মামলা তুলে নিতে পুলিশ কর্মকর্তার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। বাদি এরশাদ আলী উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের চাপড়া মোহাম্মাদপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বাগমারা থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।
বাদির অভিযোগ আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় আসামিরা এক নারীকে দিয়ে হয়রানিমূলক একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। নিরুপায় হয়ে এরশাদ আলী পুলিশের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেছেন।
গত ২০১০ সালের ১৫ মার্চ রাজশাহীর নিউ মার্কেট এলাকায় খুন হয় কলেজ শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ। ওই ঘটনায় রাজুর পিতা এরশাদ আলী বাদি হয়ে ১৪জন কে আসামি করে বোয়ালিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরশাদ আলী অভিযোগ করেন, মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য বাগমারা থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন তার ওপর চাপ প্রয়োগ করে। মামলা তুলে না নিলে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দেয়া হবে বলেও হুমকি দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় এরশাদ আলীকে ফাঁসাতে আসামিদের এবং ওই পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজশে গত ২৭ জানুয়ারি মান্দা উপজেলার পারুইটংগী গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে ছায়েরা খাতুন বাদি হয়ে বাগমারা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করে।
নিরুপায় হয়ে এরশাদ আলী বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন মহলে অভিযোগ করেন। এতে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পুঠিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম উদ্দিন জানান, হত্যা মামলার মতো একটি স্পর্শকাতর মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদিকে হুমকি দেয়ায় উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন