বারাক ওবামার আমলে বিশ্বশক্তির সঙ্গে পরমাণু চুক্তির পর ইরানের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে মনে করা হলেও সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষাকে ঘিরে দেশ দুইটির সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে ইরানকে সতর্ক করেছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে ইরান বুধবার স্বীকার করেছে।
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুসেইন দেগানে বলেন, তারা পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি করবে। আর এক্ষেত্রে বাইরের কারোর হস্তক্ষেপ বা প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন মিস্টার দেগানে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জেনারেল মাইকেল ফ্লিন বিষয়টিকে ভয়ানক কাজ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, সদ্য বিদায়ী ওবামা প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই ইরান এ ধরনের কাজে সাহস পেয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও ইরান এবং ওবামা প্রশাসনের মধ্যে হওয়া বেশ কিছু চুক্তির সমালোচনা করেছে। তবে জেনারেল ফ্লিন ইরানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষার কোনো বিষয়ের কথা উল্লেখ করেননি। আর এ জন্যে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে বিশ্বের ছয়টি পরাশক্তির সাথে যে পারমাণবিক চুক্তিতে তেহরান সম্মত হয়, সে অনুযায়ী আরো অন্তত আট বছর তারা ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়ম মেনে চলবে। যার বিনিময়ে তার উপর দেয়া নানা ধরনের অবরোধ শিথিল করা হবে। বাসস
ইত্তেফাক/এএসএমইউ