যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরি বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথমদিন বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি কক্ষের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্তত ১৫ মিনিট পরে আবার সঠিক প্রশ্নপত্র দেয়া হলেও শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময় দেয়া হয়নি। এতে ওইসব পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বলে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে ৭৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
 
শরীফ উদ্দীন নামের একজন অভিভাবক বলেন, ‘যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরি বিদ্যালয় কেন্দ্রের ২৭ নম্বর কক্ষে আমার মেয়ে নিয়মিত হিসেবে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। পরীক্ষার প্রথমদিনে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র তাকে দেয়া হয়। প্রশ্ন কমন না পেয়ে সে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে সে অন্যদের সঙ্গে তার প্রশ্নপত্র মিলিয়ে ভুল প্রশ্নপত্র বলে জানতে পারে। অভিযোগ করলে কক্ষ পরিদর্শক তাকে সঠিক প্রশ্নপত্র দিলেও অতিরিক্ত সময় দেননি। যে কারণে ৮ নম্বর মানের প্রশ্নের উত্তর লিখতে সে সময় পায়নি। ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহের কারণে প্রথমদিনেই তার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। ওই কক্ষে অনেকের এ জাতীয় সমস্যা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’
 
তিনি আরো জানান, ওই একই কক্ষে ছয়জন পরিদর্শক দিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ওই পরিদর্শকেরা নিজেদের মধ্যে খুব বেশি কথা বলাবলি করছিলেন। এজন্য পরীক্ষার্থীরা নিবিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারেনি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
 
কেন্দ্র সচিব ও ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সবুর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘আপনি স্পষ্ট করে বলেন কি বলতে চান। আপনাকে এত কথা বলতে হবে কেন? আপনি কি আমার বস?’
 
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পারভেজ হাসান বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।’
 
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ‘অভিভাবকেরা অভিযোগ দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ