ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হাতে প্রাণ গেল এইচএসসি পরীক্ষার্থী তৌকির আহমেদের। নিহত তৌকির ভৈরব আইডিয়াল কলেজের ছাত্র ছিল এবং নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের কড়ুইতলা গ্রামের ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহর ছেলে। শনিবার (৩০ মার্চ) যোহরের নামাজের পর কড়ুইতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত তৌকিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, স্থানীয় শতদল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীতে পড়তো তৌকির আহমেদের চাচাতো বোন খুশি আক্তার। পার্শ্ববর্তী আরএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী তুষার ও তার বন্ধুরা দীর্ঘদিন ধরে খুশিকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এরই প্রতিবাদ জানাতে গত ২৩ মার্চ তৌকির আহমেদ রাজপ্রসাদ এলাকায় গেলে উত্ত্যক্তকারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তুষার ও তার ৪/৫ বন্ধু একত্রিত হয়ে তৌকিরের উপর হামলা চালায় এবং মাথায় আঘাত করলে সে ঘটস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পরে তাকে ঢাকায় আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ সপ্তাহ খানেক চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয় তৌকির আহমেদের। উক্ত ঘটনায় নিহত তৌকিরের বা শহিদুল্লাহ মেম্বার বাদী হয়ে তুষার, আকাশ, রাসেল, শফিকুল ও রতন সহ ৫জনকে আসামী করে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন: মোবাইলে কথা বলতে বলতে ট্রেনের নিচে
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রায়পুরা থানার এস আই আরফান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যহত রয়েছে'।
ইত্তেফাক/ জেডএইচডি