শুধুমাত্র ‘চিত্রনায়ক’ তকমাতেই আটকে নেই ইমন। বড়পর্দার পাশাপাশি এখন ছোটপর্দাতেও ব্যস্ত তিনি। ভালোবাসা দিবসের কয়েকটি নাটকে দেখা যাবে তাকে। তার এই ছোটপর্দার ব্যস্ততা ও বড়পর্দায় অনিয়মিত হওয়ার প্রসঙ্গে নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে—
বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—
সম্প্রতি ভারত থেকে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিং করে দেশে ফিরলাম। এছাড়া বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ‘গুডমর্নিং-গুডনাইট’ নামের একটি টেলিফিল্মে কাজ করলাম। এ মাসেই ‘সমাধান’ নামের নতুন একটি চলচ্চিত্রের জন্য প্যারিস যাচ্ছি। এছাড়া ‘শ্রাবণ তোমাকে’ শিরোনামে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করছি।
এখন চলচ্চিত্রের চেয়ে নাটক নিয়েই আপনি বেশি আলোচনায় আসছেন। এর কারণ কী বলবেন?
অভিনয়টা আমার পেশা। আমি অনেকদিন ছোটপর্দায় অভিনয় করিনি। বড়পর্দা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। দর্শকদের অনুরোধে ১ গতবছর কয়েকটি নাটক করেছি। এরপর যে বিষয়টি বুঝলাম দর্শক ছোটপর্দাতেও আমাকে চায়। সেই জায়গা থেকে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটকেও অভিনয় করছি। তবে সারাবছর নয়। বিশেষ দিবসগুলো উপলক্ষে আমি নাটকের কাজ করছি। আর যেহেতু আমি একজন অভিনেতা, তাই পেশার তাগিদে পর্দায় ভিন্নতা আনতে হয়। তবে চলচ্চিত্রে আমি নিয়মিত অভিনয় করছি।
‘পরবাসিনী’ ছবিটি নিয়ে অনেকদিন আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত এর চূড়ান্ত কিছু জানা যাচ্ছে না। আপনি এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?
আশা করছি মে মাসেই ‘পরবাসিনী’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে। পরবাসিনী বাংলাদেশের প্রথম সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র। শুধু সায়েন্স ফিকশনই নয়, এই চলচ্চিত্রে রোমান্টিক, অ্যাকশন আর পারিবারিক গল্পও থাকছে। আমি চলচ্চিত্রটি নিয়ে বেশ আশাবাদী।
চলচ্চিত্রে এখন ভালো একটি সময় যাচ্ছে। আপনার ক্যারিয়ারের বয়সও বেড়েছে। নিজের অবস্থানটা এখন কেমন দেখছেন?
আমাদের ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আমি বরাবরই আশাবাদী। আর আমার অবস্থান নিয়েও আমি ইতিবাচক। আমি চলচ্চিত্রে এসে খুব বেশিকিছু করে ফেলেছি তা কিন্তু নয়। তবে আমি চেষ্টা করেছি এবং করছি নিজের ভালোবাসার জায়গাটায় নিয়মিত টিকে থাকতে। আমাদের প্রতিযোগিতা এখন বাড়ছে। সবাই গত্বাঁধা গল্প ও চিন্তা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তাই নিজেকেও কিছুটা পরিবর্তন করার সময় এসেছে বলে আমি মনে করি। তাই নতুন বছরে দর্শক আমাকে নতুন রূপেই পাবেন।
আবারো নাটক নিয়ে একটু জানতে চাই। এখন নাটকের মান নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে। এই সমালোচনায় আপনার মন্তব্য কী?
আমি বলবো মাত্রাতিরিক্ত টেলিভিশন চ্যানেলের কারণে এখন ভালো কাজগুলো আড়ালে চলে যাচ্ছে। আপনি যেটা দেখাচ্ছেন সেটা দর্শকদের কাছে ভালো না লাগলে তারা বিকল্প খুঁজছেন। এছাড়া বাজেট সঙ্কট তো আছেই। তবে কাজের জন্য একধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। তাই চেষ্টা করি কম কাজ করলেও কাজটা যেন ভালো হয়।
ইত্তেফাক/এমএআর