নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এক ইউপি সদস্য গণধোলাইয়ের স্বীকার হয়েছেন। গণধোলাইয়ের শিকার ইউপি সদস্যের নাম গোলাম রব্বানী। তিনি উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দুই ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী, মনুফা বেগম ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের স্বামী শরিফুল ইসলাম কান্দুকে পৃথকভাবে একশত করে টাকা জরিমানা করেন।
IMG0
অভিযোগে জানা যায়, অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান ৪০দিনের কর্মসূচির (ইজিপিপি) চূড়ান্ত তালিকা ২০১৬-২০১৭তে নাম প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ আসে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউএনও'র কার্যালয়ে বালাগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান ও অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের নিয়ে সমঝোতায় বসেন ইউএনও।
সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত তাদের পক্ষে না আসায় ওই ইউপি সদস্যগণ নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষ ত্যাগ করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে অবস্থান নেন। এ সময় চেয়ারম্যান পক্ষের ৬ নং ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী উস্কানীমূলক কথা বললে তার ওপর চড়াও হয়ে গণপিটুনী দেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে নিস্পত্তি করি। মারামারি বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা দুঃখজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন