দুর্নীতি দমনের চেয়ে নৈতিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, আমাদের উদ্দেশ হচ্ছে দেশের বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের আলোর পথে নিয়ে আসা।
আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ তার কার্যালয়ে ঢাকাস্থ জার্মান আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জিআইজেট-এর রুল অব ‘ল’ (আরওএল) এর পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন আরওএল-এর প্রোগ্রাম প্রধান প্রমিতা সেনগুপ্তা।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে দুদক কমিশনার ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ, সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) ড. মো. শামসুল আরেফিন, জিআইজেট-এর কনসালটেন্ট রিচার্ড মাইলস, তাহেরা ইয়াসমিন, কৃষ্ণা চন্দ, আলী রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দুর্নীতির পরিণাম ও কুফল সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি এবং মূল্যবোধ বিকাশেও কাজ করছি।
তিনি বলেন, কমিশন নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশের উত্তম চর্চাসমূহ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, কমিশন প্রণীত ১ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা ২০১৭ সালে বাস্তবায়ন করা গেলে দুদকের সক্ষমতা আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে, যা দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ইকবাল মাহমুদ বলেন, কমিশনকে অর্থ দিয়ে নয়, বিভিন্ন উপকরণ, প্রযুক্তি, ধারণা দিয়ে সহযোগিতা করুন। এতে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চাবিকাশে অধিক সহায়ক হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের চলমান কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রতিনিধিদলের প্রধান প্রমিতা সেনগুপ্তা বলেন, ২০১৬ সালের দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থার উন্নতি হওয়া কমিশনের ইতিবাচক কার্যক্রমের বহিঃপ্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া কমিশনের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও তিনি দুদক চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন।
ইত্তেফাক/রেজা