ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়ে বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল কে কী বলল সেটি ভিন্ন কথা। যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন তাই এটি গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত। এ নিয়ে ভিন্নমত থাকার কোনো কারণ নেই।
শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সূর্যতরুণ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
এমাজউদ্দীন বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশনের জন্য সামনে মস্তবড় অগ্নি-পরীক্ষা আসছে। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে অগ্নি-পরীক্ষা, সেই পরীক্ষায় তারা যেন উত্তীর্ণ হতে পারে এই চেষ্টা এখন থেকেই তাদের করা উচিত। নির্বাচন কমিশনের অগ্নি-পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার একমাত্র পথই হলো জনসাধারণের আস্থাভাজন হওয়া।
উল্লেখ্য যে, বিএনপি নতুন সিইসিকে শপথ গ্রহনের আগেই পদত্যাগের দাবি জানালেও গত বুধবার পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়ে অখুশির কিছু নেই। বরং এ কমিশন বিএনপির মেনে নেয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন আরও খারাপ হতো যদি মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামানকে সিইসি বানাতো। সেক্ষেত্রে নুরুল হুদা অনেক ভালো। সুতরাং ইসি নিয়ে অখুশি হওয়ার কিছু নেই। নতুন সিইসির ওপর আস্থা রাখতে পারি উনি কোনো দলের হবেন না। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা বিএনপির ওপর নির্ভর করছে।