একুশে গ্রন্থমেলায় তরুণ লেখক ফরিদুল ইসলাম নির্জন হাজির হয়েছেন তার ভিন্ন ধারার রোমান্টিক উপন্যাস ‘আজো খুঁজি তারে’ নিয়ে। বইটি প্রকাশ করেছে জাগৃতি প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন আহমেদ ফারুক।
আজো খুঁজি তারে বইটির নাম কেনো জানতে চাওয়া হলে লেখক বলেন, প্রিয়জনকে পাবার যেমনি আনন্দ আছে। ঠিক তেমনি আছে না পাবার বেদনা। না পাবার বেদনা থেকেই হয়ত একটা সময় কাউকে খুঁজে বেড়ায়। প্রিয়জনের শূন্যটা উপলব্ধি হয়। সেই উপলব্ধি থেকেই এক ভিন্ন ধারার রোমান্টিক উপন্যাস ‘ আজো খুঁজি তারে’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থীর প্রেম কাহিনী নিয়ে উপন্যাসটি রচিত হয়েছে। উপন্যাসটি কখনো হাসাবে, কখনো রোমান্টিকতায় নিবে যাবে আবার কখনো হয়ত চোখের জল চলে আসাতে বাধ্য করবে।
‘রোকেয়া হলের সামনে বেশ কিছুক্ষণ হলো দাঁড়িয়ে আছে ফাহিম। তমার এখনও আসার কোনো সংকেত নেই। ফাহিমের মতে, সময় সম্পর্কে আসলে তার কোন ধারণাই নেই। সে খামখেয়ালী একটা মেয়ে। এই অপেক্ষা করা নিয়ে কতদিনই না তার সঙ্গে মান-অভিমান হয়েছে। তবুও সে মনে রাখে না।’ এভাবেই উপন্যাসটির গল্প সাজিয়েছেন লেখক নির্জন।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ১৯৮৭ সালের ১০ অক্টোবরে জন্মগ্রহণ করেন নির্জন। ছোটোবেলা থেকে লেখালেখি আর সৃজনশীল জগতের সঙ্গে তার প্রেম। বাবা মো. আসমত আলী আর মা ফাতেমা বেগমের কোল আলো করে অনেকটা নির্জনেই দুনিয়ায় আসেন ফরিদুল ইসলাম নির্জন। সবাইকে কাঁদিয়ে মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বাবা ছাড়া আরো দুই ভাই-এক বোনের ছোট্ট পরিবার। দেশের শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকায় দৈনিকের পাতা ছাড়াও দুহাতে লিখছেন সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, অনলাইন পোর্টালসহ দেশ-বিদেশের নানা জায়গায়।
তার প্রথম বই শিশু-কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘স্কুল মাঠে ভূতের মেলা’ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাড়া ফেলেছিল। সংখ্যার চেয়ে গুণে বেশি বিশ্বাসী নির্জনের বই সংখ্যা তাই অনেক কম। ‘আজো খুঁজি তারে’ নির্জনের লেখা প্রেমের উপন্যাস বইমেলার ১৫৮, ১৫৯, ১৬০ নং স্টলে খুঁজে পাওয়া যাবে।
ইত্তেফাক/ আনিসুর সুমন