মহেশখালীত পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশ ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত নিহত ও ৩ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পৃথক পৃথক ঘটনায় পুলিশ অফিসারসহ ১১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ডাকাত দলে নিয়ন্ত্রণে থাকা ১৪টি বন্দুক ও ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 
মঙ্গলবার ভোর রাতে ৪টার দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী নয়াপাড়া পাহাড়ি এলাকয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান টের পেয়ে সন্ত্রাসী ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে একজন তালিকাভুক্ত ডাকাত নিহত হয়। তিনি হোয়ানক ইউনিয়নে পূর্ব বড়ছড়া মাইজপাড়া গ্রামের মৃত নুরুছফার পুত্র আবদুস সাত্তার (৩৩) বলে জানা গেছে। এ সময় তার নিয়ন্ত্রণে থাকা ১ একটি বন্দুক ও সাথে থাকা সন্ত্রাসীদের আস্তানা থেকে আরো ৫টি বন্দুক ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এ সময় ডাকাতদের হামলায় পুলিশের এসআই মনিরুল ইসলাম, এস আই হারুন রশিদ, এস আই শাহেদ, এএসআই আজিম উদিন, কনেস্টবল সঞ্জয় মজুমদার, রুবেলা দাশ, ফিরোজ আহত হয়।IMG0
 
অপরদিকে একই রাত ৩ টার দিকে উপজেলা মাতার বাড়ী ইউনিয়নে মইন্যার ঘোনা নামক স্থানে  একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাতার বাড়ী পুলিশ ফাড়ির   ইনচার্জ এস আই শাওন দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঈনার ঘোনা এলাকায় হানা দেয়। পুলিশ ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করতে বললে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পুলিশ ও তাদেরকে পাল্টা গুলি ছুড়লে ৩ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এ সময় ডাকাত দলের মজুদকৃত স্থান থেকে ৮টি লম্বা বন্দুক ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। 
 
কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ও টুটুল মহেশখালী থানা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি মহেশখালী থানার সামনে এক প্রেস ব্রিফিং করেন। তিনি ঘটনার বিবরণ দেন। মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মহেশখালীতে সন্ত্রাসী ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, চলবে। 
 
ইত্তেফাক/মাহমুদুল ইসলাম