কবি নাসির আহমেদ এসেছিলেন মেলায়। এবার মেলায় তাঁর কাব্য সংগ্রহ-১ প্রকাশিত হয়েছে। এ গ্রন্থে তাঁর প্রথম আটটি কাব্যগ্রন্থ সংকলিত হয়েছে। ‘আকুলতা শুভ্রতার জন্য’ থেকে ‘বিধ্বস্ত শহর ছেড়ে যেতে যেতে’ পর্যন্ত। এটি প্রকাশ করেছে রয়েল পাবলিশার্স।
তিনি বলেন, এবারের মেলা গতবারের চাইতে গোছানো। মেলা চত্বরে অনেক জায়গা, খোলামেলা। পাঠকরা ঘুরে ফিরে বই দেখতে পারছে কিনতে পারছে। তাছাড়া আমাদের বইয়ের মান দিন দিন বাড়ছে। অঙ্গসৌষ্ঠব সুন্দর হয়েছে। প্রচ্ছদ ডিজাইনেও আমাদের শিল্পীরা খুব উন্নতি করেছে।
তরুণ লেখকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের তরুণ লেখকরা খুব অস্থির। তারা নিজেদের প্রস্তুতির সময় না দিয়েই হুট করে বই বের করে ফেলেন। ‘মান্য সময়’ বলে একটা বিষয় থাকে লেখকদের কাছে। যখন তিনি বই প্রকাশের জন্য প্রস্তুত তার আগেই বের করে ফেলছেন। তরুণ লেখকদের বই প্রকাশের আগে পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। সেই সংযোগ স্থাপন করতে গিয়ে অনেকেই কবিতাকে অতি সরল করে ফেলেন। তাই পাঠকের সঙ্গে সংযোগ মানে অতি সরলিকরণ নয় বরং ব্যঞ্জনাময় ভাষা হূদয়গ্রাহী উপলব্ধির প্রকাশ। ভালো কবিতা উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে হূদয়কে নাড়া দেয়। সেটা তরুণ কবিদের মধ্যে কম দেখি।
তরুণ কবিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের উচিত হবে কবিতা পত্র-পত্রিকায় ছাপা হওয়ার পরে তারপর কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করা। এখন কারো কবিতা কোনো সাহিত্য পাতায় ছাপার জন্য মনোনীত হোক বা না হোক তার আগেই বই হয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। তার লেখা আদৌ কবিতা হচ্ছে কি হচ্ছে না সে পরীক্ষা দিচ্ছে না। এতে পাঠক ও প্রকৃত কবিরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অ-কবিদের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশকদেরও সচেতন হওয়া জরুরি।
ইত্তেফাক/নূহু