জন্মদিনে হাসপাতালে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

প্রতি বছরই আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্মদিন উদযাপিত হলেও এ বছর তার জন্মদিন উদযাপিত হলো পিঠে ব্যথা আর অসুস্থতা নিয়ে। জন্মদিনে তিনি দিনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন বিএসএমএমইউতে। ফুসফুসে সংক্রমন থেকে পিঠে ব্যথার উন্নতি না হওয়ায় সকালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগে অধ্যাপক আতিকুল হকের অধীনে তাকে ভর্তি হয়েছেন তিনি। এর আগে আনিসুজ্জামানের বাসায় সংক্ষিপ্ত জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পারিবারিক আবহের মধ্য দিয়ে মধ্য জন্মদিনের কেক কাটেন তিনি। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো ফুল দিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর এপিএস জয়দেব নন্দী। ফুল দিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবুল মোমেন, নারী নেত্রী মালেকা বেগম, শিল্পসমালোচক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অন্যপ্রকাশ এর প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম, লেখক মারুফুল ইসলাম, আবৃত্তিশিলল্পী রূপা চক্রবর্তী, চন্দ্রাবতী একাডেমির নির্বাহী পরিচালক কামরুজ্জামান কাজলসহ আরও অনেকে। শুভ্যানুধায়ীরা বরেণ্য এই শিক্ষাবিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
 
ড. আনিসুজ্জামানের পুরো নাম আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বসিরহাট মহকুমায় মোহাম্মদপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বিখ্যাত হোমিও চিকিত্সক আবু তাহের মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম ও মাতা গৃহিনী সৈয়দা খাতুন। পিতামহ শেখ আবদুর রহিম ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। আনিসুজ্জামানরা পাঁচ ভাই-বোন। তার বড় বোনও নিয়মিত কবিতা লিখতেন। বলা যায়, শিল্প-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসমৃদ্ধ ছিল তাদের পরিবার। স্ত্রী সিদ্দিকা ওহাব, দুই মেয়ে রুচিবা ও শুচিতা, একমাত্র ছেলে আনন্দ।
 

ইত্তেফাক/মণ্ডল