খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও টেকনাফে লবণ ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা তা মানছে না। ট্রাক থেকে লবণ গলা নোনা পানি রাস্তায় পড়ে সড়ক-মহাসড়কের স্থায়িত্ব দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে সুবিধাভোগী চক্রটি লাভবান হলেও জনসাধারণের চরম ক্ষতি হচ্ছে।
সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত লম্বা সময় ধরে ডজন ডজন ট্রাক লবণ ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত সড়কের ওপর যত্রতত্র দু’পাশে দাঁড় করিয়ে রাখায় সড়কে বড় এবং ছোট যান চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। সন্ধ্যায় পর্যটকবাহী গাড়ি চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা দেখা দিয়েছে। পিচ্ছিল সড়কে পর্যটকবাহী বাসের ধাক্কায় এ মৌসুমে বেশ কয়েকজন ছাত্রসহ শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। লোকজন জানায়, কেউ এর প্রতিবাদ জানালে তার ওপর বিভিন্ন ধরনের হুমকি এবং হয়রানি নেমে আসে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, এখানকার সড়ক বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে মেইন রোডের নীচে বিশেষ গর্ত করে পাইপ যোগে এবং সড়কের ওপর ড্রেন তৈরির মাধ্যমে লবণ মাঠে অবাধে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
লবণাক্ত পানিতে ক্ষতি হচ্ছে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শফিউল আলম বলেন, লবণের পানিতে সড়ক-মহাসড়কে প্রতিনিয়ত সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। জনসাধারণ ও পর্যটকদের সুবিধার্থে অপরিকল্পিতভাবে সড়কের ওপর লবণ লোডিং এবং পরিবহন বিষয়ে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
ইত্তেফাক/নূহু