আমি কবি নই, ‘বার্তাবাহক’: ঘোষণা দিয়ে বইমেলায় কবি চপল মাহমুদ

 
বাংলাদেশ প্রকৃতির এক অপূর্ব রঙ্গশালা। এখানে প্রতিদিনই চলে ঋতু বৈচিত্র্যের ছলচাতুরী। বাংলার এমন রূপে হৃদয়ে আমার আনন্দের শিহরণ জাগে। ভয়ও লাগে। কারণ, অনিন্দ্য সুন্দর এ রূপ আজ হুমকির মুখে। মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডে বিপর্যস্ত প্রিয় দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ। শুধু বাংলাদেশেই নয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয় আজ পৃথিবীর প্রধান আলোচ্য বিষয়। প্রযুক্তির বিশ্বায়নে নদী বলতে আর কিছুই থাকছে না। নিধনের তাণ্ডবে উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। হারিয়ে যাচ্ছে পশু ও পাখি। বিলুপ্ত আর বিপন্নতার চিৎকারে প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য ঢেকে যাচ্ছে ধুলোর চাঁদরে।
 
বইয়ের কবিতায় উঠে এসেছে প্রকৃতির গত, আজ এবং আগামীর দৃশ্যপট, প্রাণ বৈচিত্র্য, সঙ্কট, ভয়াবহতা ও এর থেকে উত্তোলনের উপায়। প্রকৃতি বাঁচাও অভিযানে এক পা এগিয়ে আসার আহ্বানে অমর একুশের গ্রন্থমেলা ২০১৭-এ দেশ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হচ্ছে কবি চপল মাহমুদের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বার্তাবাহক’।
 
কবি চপল মাহমুদ বলেন, আমি কবি নই, ‘বার্তাবাহক’। এটি প্রকৃতি বাঁচাও অভিযানে সকলকে একত্রিত করার ক্ষুদ্র প্রয়াস। বাংলার মোহনীয় রূপ-লাবণ্যে ও প্রাকৃতিক সম্ভারের পাশাপাশি বিপন্ন জলবায়ু থেকে উত্তরণ, সচেতনতা সৃষ্টিতে করণীয় বিষয় পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে আমার এ আয়োজন।
 
বার্তাবাহক বলেন, সময়ের প্রয়োজনে বইটিতে তুলে ধরতে চেয়েছি প্রকৃতির বর্তমান বেহাল রূপ, সংকট, সমস্যা, সম্ভাবনা ও সমাধানের ইতিবাচক পথ।  ‘একটি মানুষ একটি গাছ’ স্লোগানে বার্তাবাহক বৃক্ষরোপণকে উৎসাহিত করার জন্য এ বই। অবশ্যই সেটা দেশি প্রজাতির গাছ।
 
১২ ফেব্রুয়ারি থেকে বইটি পাওয়া যাচ্ছে দেশ পাবলিকেশন্স’এ। স্টল নম্বর- ৫০২, ৫০৩।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর