সাংবাদিক ও লেখক মিজানুর রহমানের এর লেখা তৃতীয় গ্রন্থ ‘গুণীজনদের স্মৃতিমাখা শৈশব-কৈশোর’ এর মোড়ক উন্মোচিত হল। মঙ্গলবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার শেষ দিনে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও নাট্যকার প্রফেসর ড. ইনামুল হক।
প্রখ্যাত ব্যক্তি বর্গের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিকথা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে গ্রন্থটিতে। প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও দৈনিক ইত্তেফাকের কচিকাঁচার আসরের প্রাক্তন সম্পাদক বাংলা একাডেমি পদক প্রাপ্ত খালেক বিন জয়েনউদদীন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থটির লেখক মিজানুর রহমান ও প্রকাশক ফারজানা রহমান, জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদ, সাহিত্যিক ও অধ্যাপক লোপা কায়সার, সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ, আঞ্জুমান আরা শিল্পী প্রমুখ। গ্রন্থটির পরিবেশক পাঠসূত্র প্রকাশনী। বক্তব্যে ড. ইনামুল হক বলেন, মিজানুর রহমান গুণীজনদের শৈশব কৈশোরের সুখ দুঃখের স্মৃতি কথাগুলো বই আকারে ধারাবাহিকভাবে লিখে যাচ্ছেন। তার এই কষ্টসাধ্য উদ্যোগটিকে আমি সাধুবাদ জানাই। আমি আশাকরি মিজানুর রহমানের এ লেখার ধারা অব্যাহত থাকবে।
IMG0
গ্রন্থটিতে যে ১৬ জন বরেণ্য গুণীর শৈশব কৈশোরের স্মৃতিকথা স্থান পেয়েছে। তাঁরা হলেন- মুক্তিযোদ্ধা চিত্রনায়ক ফারুক, অভিনয় শিল্পী আনোয়ারা বেগম, সাংবাদিক আবেদ খান, অভিনেত্রী ও নাট্যকার জাহানারা আহমেদ, প্রবীর মিত্র, চিত্রনায়িকা চম্পা, চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, চিত্রনায়িকা নূতন, প্রফেসর ড. মীজানুর রহমান, অভিনেত্রী চিত্রলেখা গুহ, ফুটবলার কায়সার হামিদ, অভিনেত্রী দিলারা ইয়াসমিন, ডা. মোহিত কামাল দিলারা মেসবাহ, অভিনেতা আবদুল কাদের ও কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন।
গ্রন্থটিতে অনুপ্রেরণা মূলক বানী দিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কামাল লোহানী, প্রফেসর ড. ইনামুল হক, সাংবাদিক রফিকুল হক দাদুভাই, অভিনেত্রী ও শিক্ষক দিলারা জামান, এসডিআইএর সিইও সামছুল হক, খান এ্যাসোসিয়্টেস এর সিইও এ.আর.খান রানা।
ইত্তেফাক/রাফাত