ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিআরটিসি বাসসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাংচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে পরিবহন শ্রমিকরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে পরিবহন শ্রমিকসহ ১০জন আহত হয়। পরে পরিবহন শ্রমিকরা আবারো ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ এলাকায় গোলচত্বরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যানবহনে চলাচলে বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ ৫২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আশুগঞ্জ উপজেলার পরিবহন শ্রমিকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গোলচত্বর এলাকায় জড়ো হয়। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে আসা বিআরটিসি যাত্রীবাহী একটি বাস আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় আসলে বিক্ষোব্ধ শ্রমিকরা এতে হামলা চালায় ও ভাংচুর করে। শ্রমিকরা বাসের চালককে বেধড়ক মারধর করে। এছাড়াও গাড়ি চালানোর অভিযোগে বেশ কয়েকটি ট্রাক, সিএনজি ভাংচুর ও চালককে মারধর করে। এতে পুলিশ বাধা দিলে শ্রমিকরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ৫২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আশুগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইদন মিয়া মিন্টু জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় হওয়া মামলায় দুই চালকের যাবজ্জীবন ও ফাঁসির রায়ের জের ধরে মঙ্গলবার সকাল থেকে ধর্মঘট পালন করছে পরিবহন শ্রমিকরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছি। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কোন পরিবহন চলবে না। আমাদের দাবি আদায় না হলে আমাদের কর্মসূচি চলবে।
এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, গোলচত্বর এলাকায় শ্রমিকরা গাড়ি ভাংচুর করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। গোলচত্বর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ইত্তেফাক/মাহমুদুল