ঠাকুরগাঁওয়ে কৃত্রিম সঙ্কট দেখিয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রি করা হচ্ছে। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এই কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কৃষকরা বলছেন, সরকার নির্ধারিত ইউরিয়া সার প্রতি বস্তা আট শ টাকার জায়গায় সাব ডিলাররা ৮২০ থেকে ৮৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন।
এদিকে জেলা প্রশাসন বলছে, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে সারের কোন সঙ্কট নেই। যারা বেশি দাম নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কৃষি বিভাগ জানান, এবার সারের কোনো সংকট নেই। বুধবার পর্যন্ত নয় হাজার সাত শ মেট্রিক টন ইউরিয়ার বাফার গুদামে মজুদ রয়েছে।
সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কচুবাড়ি বোর্ড অফিস বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মের্সাস ‘নইমউদ্দিন অ্যান্ড সন্স’ নামে একটি সারের দোকানে কয়েকজন কৃষক ইউরিয়া ও টিএসপি সার ক্রয় করছে। ওই দুজন কৃষক জানায়, প্রতি বস্তা ইউরিয়া ৮২০ টাকা ও টিএসপি ১১৭০ টাকা বস্তা দরে কিনেছেন তারা। জেলার বিভিন্ন খুচরা দোকানের চিত্র একই।
আউলিয়াপুর এলাকার কৃষক সেরেকুল আলী জানান, ভুট্টার জন্য জমিতে ইউরিয়া দরকার। কিন্তু বস্তা প্রতি ২০/৩০ বেশি দরে কিনতে হচ্ছে।
জেলা ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুলাল জানান, জেলায় কোনো সারের সংকট নাই। কোনো দোকানদার যদি সরকারি মূল্যের চেয়ে কৃষকদের কাছে বেশি টাকা নেয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক মাসুদুদুল ইসলাম জানান, ডিলারদের ঘরে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে। কাজেই দাম বেশি নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। অতিরিক্ত মূল্য নেয়ার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/সালেহ্