পোনা মাছ চাষ ও বিক্রি করে স্বাবলম্বী পাঁচ শতাধিক পরিবার

আগৈলঝাড়া থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ লাখ টাকার পোনা মাছ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। ডিম থেকে পোনা মাছ উত্পাদন, পোনা মাছের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থেকে এলাকার পাঁচ শতাধিক পরিবারে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা।

উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের গুপ্তের হাটে প্রতিদিন বসে পোনা মাছ কেনা-বেচার পাইকারি বাজার। কাক ডাকা ভোরে জমে ওঠা প্রতিদিনের বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির বিভিন্ন সাইজের মাছের পোনা কিনতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ক্রেতারা ভিড় করেন এ হাটে।

ডিম থেকে রেণু পোনা উত্পাদনকারী মত্স্য চাষিরা জানান, যশোর ও উপকূলীয়সহ বিভিন্ন জেলা থেকে উন্নত জাতের বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ডিম সংগ্রহ করে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা পুকুরে সেই ডিম থেকে মাছের রেণু ফোটান তারা। নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে এসব রেণু দুই থেকে পাঁচ ইঞ্চি হলেই বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন মত্স্য চাষিরা। এসব মাছের পোনার মধ্যে রয়েছে রুই, কাতল, মৃগেল, মনোসেক্স তেলাপিয়া, কৈ, নাইনদাল, কারফু, পাঙ্গাস, চায়না সরপুটি, টাটকিনা, কার্প জাতীয়সহ প্রায় ৩০ প্রজাতির মাছের পোনা।

পোনা উত্পাদন ফার্মের মালিক আব্দুস সোবাহান বলেন, এই বাজার সম্প্রসারণের কারণে এলাকার শত শত মত্স্য চাষি ছোট নালা, পুকুর, ডোবায় অস্থায়ীভাবে মাছ চাষ করে অতিরিক্ত টাকা আয় করছেন। স্বল্প পুঁজিতে স্বল্প সময়ে মাছ চাষে লাভবান হওয়ায় এলাকার বেকার যুবকরাও বিভিন্ন পুকুর লিজ নিয়ে, নতুন ঘের করে মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। বাজার কমিটির সদস্য জালাল ঘরামী বলেন, গত ২৬ বছর যাবত্ তিনি গৈলা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব ইমতিয়াজ লিমন বলেন, প্রতিদিন এই বাজার থেকে গড়ে ২৫ লাখ টাকার পোনা মাছ বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বিভিন্ন সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বাজার সম্প্রসারণ ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য স্থানীয় এমপির সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

ইত্তেফাক/নূহু