অর্ধযুগ পরে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌপথে বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক বাতি বয়া। কিন্তু ড্রেজিংয়ের কারণে নৌপথ পরিবর্তন হওয়ায় চারটি বয়ার তিনটি বসাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাগরের পথ নির্দেশক কাঙ্ক্ষিত বয়া বসানোর ব্যবস্থা করায় ওই পথে চলাচলকারী নৌযান এবং দ্বীপবাসী কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে সেন্টমার্টিন নৌপথে চারটি বয়া বসানোর কথা থাকলেও বিআইডাব্লিউটিএ‘র প্রতিনিধিরা কেবলমাত্র একটি বয়া বসিয়েই মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত জটিলতার কারণে বাকি বয়া বসাতে পারেননি বলে দাবি করছেন। এদিকে চাহিদা অনুপাতে বয়া বসাতে না পারায় নৌ সংশ্লিষ্টদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নৌপথে চলাচলকারী জাহাজ এবং দ্বীপবাসী জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বয়া বসানোর দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডাব্লিউটিএ আলোর দিশারী নামে একটি জাহাজে করে চারটি অত্যাধুনিক বয়া সেন্টমার্টিনে নিয়ে আসে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ওই নৌ পথে একটি বয়া বসিয়েই বাকি তিনটি চট্টগ্রামে নিয়ে গেছে।
বিআইডাব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক নয়ন শীল জানান, ড্রেজিং না করা এবং প্রকৃতিগত কারণে নৌপথ পরিবর্তন হয়ে মিয়ানমার সীমানায় পড়ে গেছে। তাদের জলসীমা দিয়েই বর্তমানে সেন্টমার্টিনগামী নৌযান চলাচল করে। এ কারণে জলপথের নির্দেশক একটি বয়া বসিয়ে বাকি তিনটি বসানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রীয়ভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা না করে সেখানে বয়া বসানো যাবে না জানিয়ে বিআইডাব্লিউটিএ’র এই কর্মকর্তা মনে করেন তাদের সীমানায় বয়া বসালেই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
ইত্তেফাক/নূহু