স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, কিডনি প্রতিস্থাপনে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন সংশোধন করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনে আইনী জটিলতা দূর করতে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন সংশোধন চূড়ান্ত হবার পথে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রথমে মন্ত্রীপরিষদ সভায় পরে সংসদে সংশোধনী আইনটি পাস হবে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, অন্ধকার থেকে আলোর পথে এখন বাংলাদেশ। ৬ হাজার ডাক্তার, ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দেশে একদিন জ্বালাও-পোড়াও হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন না হলে এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারতাম না। রোগীদের জিম্মি করে ধর্মঘট না করতে চিকিত্সকদের প্রতি আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা করে মানুষকে কষ্ট দিবেন না। প্রতিবাদ জানানোর অনেক ভাষা আছে। তিনি বলেন, টেবিলে রোগীকে ফেলে রেখে ধর্মঘট করবেন না। মানুষের জন্য কাজ করুন।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনেই অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ্য করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করে এর ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। আওয়ামী লীগ কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না। শেখ হাসিনার অধিনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো নছিয়তে কোনো কাজ হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে বিএনপি যাবে না’ মর্মে সম্প্রতি বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, কেন নির্বাচনে যাবেন না? এটা তো নির্বাচিত সরকার। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এর কোনো ব্যত্যয় হবে না। নতুন কোনো ফরমুলা এক্সপেরিমেন্ট করার সময় নেই।
বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, মুক্তিযোদ্ধা চিত্রনায়ক ফারুক, বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ, ক্যাম্পাস সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ, বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ইত্তেফাক/নূহু