ভৈরব-কিশোরগঞ্জ সড়কের দু’পাশের গাছে মড়ক

ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশে বনায়নকৃত শত শত গাছ অজ্ঞাত রোগে মরে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে সড়কের উপরে ভেঙে পড়ছে ডালপালা। এমন কি উপচে পড়ছে পুরো গাছ। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে যাত্রীসাধারণ ও এলাকাবাসী।

১৯৮০ সালে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কটি নির্মাণ করা হয়। তখন ওই সড়কের ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার জুড়ে সড়কের উভয় পাশে বাবলা, আকাশী, আকাশমনি, শিশু ও মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক হাজার গাছের চারা রোপণ করে বনবিভাগ। যা ৩০/৩৫ বছরে প্রাকৃতিক ভারসাম্যসহ দৃষ্টিনন্দন দিয়ে আসছে পরিবেশকে। কিন্তু হঠাত্ গত একবছর যাবত্ অজ্ঞাত রোগের কারণে সড়কের দু’পাশের স্থানে স্থানে গাছগুলো দিন দিন মরে যাচ্ছে। প্রথমে পাতা ঝরতে থাকে তারপর উপর থেকে ডালপালা শুকিয়ে গাছগুলো মরে যাচ্ছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় সড়কের দু’পাশে কঙ্কাল আর কঙ্কাল ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। এগুলোর কোনোটিতে ঘুণে ধরেছে, আর কোনোটিতে বাসা বেঁধেছে কাঠপোকা, গাছগুলো ভেঙে পড়ে যানবাহনের ক্ষতিসহ যাত্রীসাধারণ ও পথচারীদের প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলার ফরেস্ট রেঞ্জার মো. মোমেন ভূঁইয়া জানান, রাস্তার পাশে যে সামাজিক বনায়নে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগানো হয়েছে তার মধ্যে শিশুগাছ অন্যতম। এই গাছগুলোতে নির্দিষ্ট বয়সে এবং গাছের গোড়ায় মাটির নিচে ফার্ণগাস আক্রমণের কারণে গাছের শিকড়ে ফার্ণগাস আক্রমণ করে। ফলে গাছগুলো পচে গিয়ে সম্পূর্ণরূপে মারা যাচ্ছে। এই মরা গাছগুলো আহরণের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আছে।

ইত্তেফাক/নূহু