প্রশাসনের অব্যবস্থাপনায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট শুরু হয়েছে। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।
এক দিকে বৃষ্টি অপর দিকে মহাসড়কের দুই পাশে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি ফেলায় মহাসড়ক এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে রাজধানীর প্রবেশদ্বার চন্দ্রা-নবীনগর-ঢাকা রোড ও চন্দ্রা-গাজীপুর রোডে যানবাহন ঢুকতে না পারায় যানজটের অন্যতম কারণ বলে হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ জানিয়েছেন।
শনিবার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা গেছে, কালিয়াকৈরের চন্দ্রা মোড় থেকে মির্জাপুরের জামুর্কি পর্যন্ত যানজটে স্থবির। এসব কারণে যাত্রীদের কোন নিরাপত্তা নেই। যানজটের ফলে এ মহাসড়কে বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই। গত কয়েক মাস ধরে চলছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ দুরবস্থা। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরে প্রায় ৪০কি.মি. এলাকায় যানজট এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। টাঙ্গাইল থেকে রাজধানী ঢাকায় যেতে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের সময় গুনতে হচ্ছে ১০-১৫ ঘণ্টা। কোন কোন ক্ষেত্রে আরও বেশি সময় লাগছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। কবে নাগাদ এই মহাসড়কে চলাচলকারীদের ভোগান্তি কবে শেষ হবে তা কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছেন না।
এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী ও মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, 'গত কয়েক দিন ধরে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অত্যন্ত বেশি। অধিক চাপ থাকায় চন্দ্রা এলাকায় যানবাহন ঠিকমত পারাপার হতে পারছে না। এরজন্য চালকরাও কিছুটা দায়ী বলে তারা উল্লেখ করেন। যানজট নিরসনের জন্য ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা জানান।