নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ সড়কে যাতায়াতে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। টেংগনমারী হতে কিশোরগঞ্জ তেল পাম্প পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং ইট, বালু খোয়া উঠে খানাখন্দ সৃষ্ঠি হয়েছে। এতে উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত, কোথাও ছোট গর্ত। ফলে, প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যানবাহনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। গুরুত্বপুর্ণ সড়কটি সংস্কারে প্রশাসনের কোন নজর নেই।
এলাকাবাসী জানান, এ সড়কটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলাসহ জলঢাকা ও রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একমাত্র সড়ক। এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন মালবোঝাই ট্রাক দূরপাল্লার বাসসহ কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোয়ার হোসেন জানান, টেংগনমারী থেকে কিশোরগঞ্জ তেলপাম্প পর্যন্ত সড়কটিতে অসংখ্য গর্ত থাকায় সামান্য বৃষ্ঠিতেই পানি জমে। খানাখন্দের কারনে চলাচলে কঠিন সমস্যা হচ্ছে।
বাসচালক পেয়ারুল ইসলাম বলেন, সড়কটির বেহাল দশার কারনে মাঝেমধ্যেই যানবাহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিকল হয়। তাছাড়া যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।
কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুর রহমান বাবুল জানান, টেংগনমারী থেকে কিশোরগঞ্জ তেলপাম্প পর্যন্ত রাস্তায় ছোট বড় মিলে প্রায় একহাজার গর্ত রয়েছে । বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ থানার সামনে অনেক বড় গর্ত হওয়ায় মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়া সামান্য বৃষ্ঠিতেই চলাচলে অনেক সমস্যা হচ্ছে।
নীলফামারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, টেংগনমারী থেকে কিশোরগঞ্জ তেলপাম্প পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য আমরা একটি প্রকল্প প্রস্তাব পেশ করেছি। সেটি পাস হওয়ার আগে রাস্তাটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু