যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইলিয়াস হোসেনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। সোমবার রাত ১০টায় তাকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান। ওসির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ওসি-তদন্ত আবুল বাসার মিয়াকে।
তবে নিয়ম অনুযাযী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওসি দায়িত্ব হস্তান্তর না করায় এরইমধ্যে একটি ‘শো কজ’ খেয়েছেন বলে মন্তব্য করেন এসপি।
রাত সোয়া ১১টায় ইত্তেফাককে এসপি বলেন, ‘আমাদের ভাষায় ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। ক্লোজের আর কী কারণ হতে পারে তা সাংবাদিক হিসেবে আপনারা অনুসন্ধান করে দেখেন।’
যশোর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় মল্লিককে সোমবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের বাসা থেকে বন্দুকের মুখে জবরদস্তিমূলকভাবে গ্রেফতার করার কারণে ওসিকে শাস্তিমূলক বদলির আইওয়াশ করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে যশোরের সাংবাদিকরা এসপিকে প্রত্যাহারের দাবিতেই লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে এসপির তথ্য অনুযায়ী ওসিকে সোমবার প্রত্যাহার করা হলেও যশোর কোতোয়ালি থানার ওসির সরকারি মুঠোফোনে ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে মঙ্গলবার রাত ১১টার পর কথা হয় এই প্রতিবেদকের। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, আমিও এরকম শুনছি। তবে এখনও চিঠি পাইনি। তাছাড়া ১৬ মাস তো হয়েই গেল। বদলি হলেই বা কী!’
ইত্তেফাক/নূহু