চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষে সঞ্জয় দাস, জুলফিকার খান, সবুজ ভূইয়া, সাখওয়াত শামীম, শরীফুল সুজন, শওকত মাহমুদ শাহীন, হারুন-অর-রশিদ, মোল্লা মোহাম্মদ হাসান, কলি দাস ও পিংকিসহ অনেকের উপস্থিতিতে সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় নেত্রীর কক্ষে স্মারকলিপি প্রদান ও নেত্রীকে এক কৃতজ্ঞতা স্মারকের মাধ্যমে 'জীবনান্দের রূপসী বাংলা রূপের যে তার নেইকো শেষ, রওশন এরশাদ পল্লী জননী নেইকো তার গর্ব লেশ' উপাধি দেওয়া হয়।
বয়সসীমা বাড়ানোর জন্য তারা বিভিন্ন দেশের চাকরিতে প্রবেশের বয়স উল্লেখ করে বলেন, গত জানুয়ারি মাসে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথম শ্রেণীর চাকরির বয়স ৩২ থেকে ৩৬ ও দ্বিতীয় শ্রেণীর বয়স ৩৯ করা হয়েছে। তাদের দেশের কালচার ও আমাদের দেশের সংস্কৃতি খুবই কাছাকাছি। তাই তারা পারলে আমাদের দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে সমস্যা কোথায়? আরো বলেন সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সংসদে বিভিন্ন সময় বলা হয় ত্রিশের পর বুড়ো হয়ে যায় তখন কি আর চাকরি করার বয়স থাকে, যদি তাই হয় তা হলে যুবনীতি - ২০১৭ প্রকাশ করা হয়েছে ১৮-৩৫ বছর পর্যন্ত তা হলে তারা কি বুড়ো হয় না?
বিরোধী দলীয় নেত্রী গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার সংসদে তার বক্তব্যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা পঁয়ত্রিশ বছর রয়েছে তাই আমাদের দেশেও চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করে দিলে ছেলেগুলোর জীবন বেঁচে যাবে, আর আমার মনে হয় না চাকরিতে প্রবেশের বয়স পঁয়ত্রিশ করলে দেশে তেমন ক্ষতি হবে। আপনি মায়ের মতো আশা করি যুবকদের এ দাবি আপনি পূরণ করবেন।